বগুড়ার মোকামতলায় বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিবেশনে সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করা, শিক্ষকদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণ এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আবু বক্কর সিদ্দিককে আহ্বায়ক এবং ময়দানহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. মেহেদী হাসানকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় মোকামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এ বর্ধিত সভা ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় নবগঠিত উপজেলা কমিটি গঠন করা হয় এবং সংগঠনটির বগুড়া জেলা শাখা কমিটিটির অনুমোদন দেয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মাহমুদ হোসেন তৌফিকের। তিনি উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান অতিথি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোকামতলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের বগুড়া জেলা শাখার ১২১৯৮/১৫-এর সভাপতি রাসেল কবিরসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাওয়ালদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জিন্নাতুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সহকারী শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করা, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাঁদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা প্রয়োজন। এ জন্য শিক্ষকদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
অধিবেশনে শিক্ষকদের পেশাগত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, ন্যায্য দাবি আদায় এবং শিক্ষকসমাজের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ রেখে তাঁদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সভা শেষে মোকামতলা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্বকারী নবগঠিত ৩১ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন এ কমিটির মাধ্যমে শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে এবং সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল হবে।