ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকারের নেওয়া সংস্কার পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্ণ নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে। থাইল্যান্ডে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় অংশ নেওয়ার প্রাক্কালে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক সংস্কার রূপরেখার সঙ্গে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের ভাবনার বড় মিল রয়েছে। তবে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব সরকারের নিজের হাতেই থাকছে।
বেকারত্ব দূর করতে ও অর্থনীতিতে গতি আনতে বন্ধ কলকারখানাগুলো চালুর পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চীন, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি খাতের বাড়তি ব্যয়ের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পুরোপুরি পড়তে দেয়নি সরকার। পাশাপাশি, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা ও দারিদ্র্য হ্রাসের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
থাইল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালাল খাদ্যপণ্য রপ্তানি এবং চট্টগ্রাম ও রেনং বন্দরের মধ্যে সামুদ্রিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।