প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি জানান, এই সফরে অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাকশন এইড আয়োজিত "ন্যাশনাল পজিশন পেপার আনভেইলিং অ্যান্ড ডায়লগ" শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরকে কেন্দ্র করে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ডেকে পাঠানোর গুঞ্জন ও সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ স্পষ্ট করেন যে, এটি পুরোপুরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।
তিনি বলেন, "এটা কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয় নয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিউর (স্বাভাবিক প্রক্রিয়া), কখন কোন অ্যাম্বাসেডরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেকে পাঠাবে—সেটা মন্ত্রণালয়ের একান্তই নিজস্ব সিদ্ধান্ত।"
জানা গেছে, রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে এই সফরের কূটনৈতিক বিষয়াবলী ও সার্বিক আয়োজন সমন্বয়ের বিশেষ দায়িত্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপাক্ষিক সচিব এম নজরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে টোকিও পাঠানো হয়েছে।
জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই দুই দেশের মধ্যে গভীর সম্পর্ক বজায় রয়েছে, যা বর্তমান সরকারের আমলে আরও উচ্চতায় পৌঁছেছে। অতীতে বিএনপি সরকারের আমলেও জাপান-বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত উন্নত ছিল বলে তিনি স্মরণ করেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর সরকারি সফরে জাপান যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন