বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বর্তমানে যে সংকটগুলো দৃশ্যমান, তা মূলত বিগত সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ভুল নীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির করুণ পরিণতি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার হোটেল রাজমনি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।
কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে, তখন দেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ, কলকারখানা, শিক্ষা এবং ব্যাংক খাতসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছিল। বিশেষ করে, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নামে মুষ্টিমেয় কিছু গোষ্ঠীকে অবৈধ সুবিধা দিয়ে রাষ্ট্রকে বিশাল ঋণের ফাঁদে ফেলা হয়েছে। কিন্তু বিগত সরকার কখনোই বিদ্যুৎ খাতের স্থায়ী কোনো সমাধান করতে পারেনি।
জ্বালানি সংকটের প্রকৃত কারণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল অবস্থা এবং দেশের এলএনজি টার্মিনালে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণে সাময়িক কিছু সমস্যার তৈরি হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি নানা কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে চলেছে। দেশবাসীর কাছে একটু ধৈর্য প্রার্থনা করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, খুব দ্রুতই গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের চিরস্থায়ী সমাধান হবে।
দেশে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির তীব্র সমালোচনা করে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জানান, বর্তমানে দেশের চাহিদার তুলনায় ১৫ লাখ টন বেশি সার মজুদ রয়েছে। অথচ একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। বিগত আমলের কিছু অসাধু ডিলার গুদামে সার লুকিয়ে রেখে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন,