ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নানা গুঞ্জন ও ভুয়া র্যাঙ্কিং। বিশেষ করে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও হ্যারি কেইনকে নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা বিভ্রান্তি। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বিজয়ীর প্রকৃত নাম এখনো সম্পূর্ণ গোপন রয়েছে।
আজ সোমবার দিবাগত রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়ামে বসছে ব্যালন ডি’অরের এই জমজমাট পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এবারই প্রথম প্যারিসের ঐতিহ্যবাহী শাতলে থিয়েটারের বাইরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই আয়োজন। অনুষ্ঠান শুরুর আগে সম্ভাব্য বিজয়ীকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তালিকা এবং স্ক্রিনশট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশেষ করে ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এ ফ্রান্স ফুটবলের সম্পাদক ভিনসেন্ট গার্সিয়ার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথিত কথোপকথনের কিছু স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দাবি করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত র্যাঙ্কিং আগেই ফাঁস করেছেন গার্সিয়া। যদিও এসব দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি। এছাড়া বিভিন্ন তালিকায় কখনো এমবাপ্পে, আবার কখনো হ্যারি কেইনকে শীর্ষে রেখে বিভ্রান্তি বাড়ানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি-এর সঙ্গে কথা বলেছে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। তাদের ভাষ্যমতে, ‘এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব। তবে এই গুঞ্জন ও উত্তেজনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে বরাবরের মতোই তৈরি হচ্ছে।’
ব্যালন ডি’অরের সাবেক প্রধান পাসকাল ফেরের মতে, বিশ্বজুড়ে এই গোপনীয়তা বজায় রাখতে বর্তমানে পাঁচজনের বেশি মানুষ বিজয়ীর নাম জানেন না। এছাড়া ২০২৪ সাল থেকে অনুষ্ঠানের আগেই বিজয়ীকে ফল জানিয়ে দেওয়ার প্রথাও বন্ধ করেছে আয়োজকেরা।
ফেরে বলেন, ‘২০২৪ সাল থেকে বিজয়ী হওয়ার বিষয়টি আর আগে জানানো হয় না। লন্ডনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত কেউ আগেভাগে উল্লাস করার সুযোগ পান না, কারণ কেউই জানেন না আসল বিজয়ী কে। মেসি-রোনালদো যুগের পর গোপনীয়তা আরও কঠোর করতে আমরা এই নিয়ম পরিবর্তন করেছি।’