ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের চলতি দায়িত্ব পাওয়া মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে এতে বিভ্রান্তিকর প্রচার ও পেশাগতভাবে হয়রানি ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন নজরুল ইসলাম।
সাভার পৌরসভায় তিনি চুক্তিভিত্তিক কাজ করেছিলেন। সেই কাজের অভিজ্ঞতাকে জাল সনদ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে কুচক্রী মহলটি। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই না করে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ প্রচার করা কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ০৩ সেপ্টেম্বর নজরুল ইসলামকে ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে একই পদে প্রায় ২২ বছর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।
নজরুল ইসলাম বর্তমানে নগর পরিকল্পনাবিদ হিসেবে মূল পদে বহাল থাকার পাশাপাশি প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। চুক্তিভিত্তিক কাজ, নিয়মিত চাকরি ও প্রকল্পভিত্তিক দায়িত্ব এক বিষয় নয়। তাই কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট পদে নিয়মিত নিয়োগের তথ্য না পাওয়া গেলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সেখানে কোনো কাজ করেননি কিংবা তাঁর অভিজ্ঞতার সনদ জাল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না বলেও মন্তব্য করেন নজরুল।
নজরুল ইসলামের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছাত্রলীগের পরিচয় ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে তিনি চাকরিতে যোগদানের সুযোগ পান বলেও মিথ্যা অপপ্রচার চালান অথচ নজরুল ইসলাম বলেন তিনি কোনদিনই ছাত্রলীগের কোন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেযুক্ত ছিলেন না তিনি আরও বলেন কেউ যদি প্রমান করতে পারে আমি কোন ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত ছিলাম তাহলে চাকরী ছেড়ে দেবো।
সবশেষে নজরুল ইসলাম জানান আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি কখনো কোন অনিয়ম বা দূর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না ভবিষ্যতেও থাকবো না। যারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে পেশাগত ক্ষতি ও সামাজিকভাবে হেয় করছে প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।