ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে শীর্ষ তিনের একজন হয়ে জায়গা করে নিলেও এবার সেরার খেতাবটা অধরাই থেকে গেছে লামিন ইয়ামালের। তবে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব চুকিয়ে স্প্যানিশ এই তরুণ উইঙ্গার তাকিয়ে আছেন ভবিষ্যতের দিকে। লন্ডনের জমকালো অনুষ্ঠান শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবিচল আত্মবিশ্বাসের কথা জানান বার্সেলোনার এই ১৯ বছর বয়সি তারকা।
ভোটাভুটিতে হ্যারি কেইন ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পেছনে থেকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ইয়ামাল। পুরস্কার হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপ থাকলেও কোনো হতাশা নেই তার মনে। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘এটা আসবেই। ভালো জিনিসের জন্য একটু সময় লাগে, আর আমি নিজের গড়া পথটার ওপর বিশ্বাস রাখি। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। আমি আশা ও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর যে একদিন আমার সময়ও আসবে। জয়ীদের অভিনন্দন।’ একই সঙ্গে নিজের সব মনোযোগ এখন বার্সেলোনাকে ট্রফি জেতানোর দিকে বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
অবশ্য লন্ডনের এই আসর থেকে পুরোপুরি খালি হাতে ফিরতে হয়নি ইয়ামালকে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের ধারাবাহিকতায় এবারও টানা তৃতীয়বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ ‘মেন্স ইয়াং ট্যালেন্ট অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অরেও ফাইনালে ছিলেন এই তরুণ সেনসেশন; সেবার উসমান দেম্বেলের ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। বয়সের খাতা মাত্র ১৯ হলেও বিশ্ব ফুটবলের বড় মঞ্চে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ নিয়মিতই দিয়ে চলেছেন ইয়ামাল। ব্যক্তিগত অর্জনের খাতা ভারী করার পাশাপাশি এখন তার প্রধান লক্ষ্য বার্সেলোনার জার্সিতে নতুন সাফল্যের সোনালী ইতিহাস রচনা করা।