মাঠের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে গড়ে ওঠা অস্থায়ী স্থাপনা ও প্রধান প্রবেশদ্বার ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে এই কর্মসূচি শেষে তারা ক্যাম্পাসে ফিরে যান।
জানা যায়, সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ভাঙার কাজ শেষ হয়। এর আগে বেলা ১২টার দিকে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মাঠে প্রবেশ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ট্র্যাক্টর ব্যবহার করে মেলার বিভিন্ন অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙতে শুরু করেন তারা। একপর্যায়ে মেলার মূল প্রবেশপথটিও ভেঙে ফেলা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠ কোনো বাণিজ্যিক আয়োজনের জন্য ব্যবহার করা যাবে না।
শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও গবেষণার কাজে মাঠের পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে হবে।
মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা বাতিল করতে হবে।
কৃষি গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ সেখানে স্থায়ী বা অস্থায়ী কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।
মাঠ উদ্ধারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৭ অক্টোবর মাঠে মাটি পরীক্ষার কাজে বাধা দেন তারা। এ সময় কাজের যন্ত্রপাতি ও দুটি গাড়ি ক্যাম্পাসে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২৮ অক্টোবরও মেলার প্রধান প্রবেশপথসহ বেশ কিছু অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়।
এছাড়া মাঠে অবস্থান কর্মসূচির পাশাপাশি গত ১ নভেম্বর চীন মৈত্রী সিগন্যাল এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা, যার ফলে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।