দীর্ঘ আট বছর পর দেশের মাটিতে ফিরছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় উন্মাদনা—সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। আগামী ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এই মহারণের জন্য ইতোমধ্যে সবার আগে ঢাকায় পা রেখেছে ভুটান দল। আর ঘরের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ভুটানকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে জয় দিয়ে শুভসূচনা করতে মুখিয়ে আছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
১৫তম এই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সবকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার ঐতিহাসিক জাতীয় স্টেডিয়ামে এবং ১৭ নভেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই আসরের।
এবারের প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে টুর্নামেন্টে খেলতে পারছে না নেপাল। ফলে ৬টি দল নিয়ে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে লড়াই হবে। ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে ‘বি’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে লড়বে মালদ্বীপ ও পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি দল দুটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে এবং দুই গ্রুপের শীর্ষ চার দল উঠবে সেমিফাইনালে। আগামী ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল এবং ১৭ নভেম্বর হবে ফাইনাল লড়াই।
ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘোচানোর সুবর্ণ সুযোগ এবার বাংলাদেশের সামনে। ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফের একমাত্র সোনালী ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০০৫ সালে ফাইনালে উঠলেও রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
দীর্ঘ ২৩ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়ে ঘরের মাঠে আবারও সাফের মুকুট পরার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ দল। এখন কেবল মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা উজার করে দেওয়ার অপেক্ষা।