
প্রচণ্ড দাবদাহ ও তীব্র শুষ্ক আবহাওয়ায় পর্তুগালজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ গ্রামীণ দাবানল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে দুই হাজারের বেশি দমকলকর্মী ও জরুরি সেবাকর্মী একযোগে কাজ করছেন। আকাশপথে তাদের সহায়তা দিচ্ছে অন্তত ২০টি বিশেষ অগ্নিনির্বাপক বিমান।
পর্তুগিজ ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অ্যান্ড সিভিল প্রটেকশন অথরিটির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি দেশটির একাধিক অঞ্চলে একযোগে একাধিক ল্যান্ডফায়ার ছড়িয়ে পড়ে। ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ একটি বড় অংশজুড়ে চরম অগ্নিঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
পর্তুগিজ ইনস্টিটিউট ফর সি অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ার (IPMA) দেশের ৯টি জেলায় ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ বা চরম সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া রাজধানী লিসবন, সেতুবাল এবং ফারো ব্যতীত মূল ভূখণ্ডের প্রায় সর্বত্রই রয়েছে ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা অস্বাভাবিক নিচে নেমে আসবে।
সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ব্রাগানসা জেলার তোরে দে মনকোর্ভো এলাকায়। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই আগুনে ইতোমধ্যে ২ হাজার হেক্টরের বেশি বনভূমি ও জমি ভস্মীভূত হয়েছে। এই একক পয়েন্টেই ৪ শতাধিক দমকলকর্মী এবং প্রায় ১৪০টি অগ্নিনির্বাপক গাড়ি মোতায়েন রয়েছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রো জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও প্রশাসনিক সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে তিনি জানান, চলমান আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশকে সামনের দিনগুলোতে আরও কয়েক সপ্তাহ চরম সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে।
অনলাইন ডেস্ক 























