Dhaka ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ময়মনসিংহের সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদের বদলি ও ভিজিটিং কার্ড বিতর্ক: নেত্রকোনায় নতুন কর্মস্থল নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ অপূর্ণ সেঞ্চুরির আক্ষেপ, তবুও সাদমানের দৃঢ়তায় প্রথম দিন নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই ইরানে নতুন সামরিক অভিযানের শঙ্কা, উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করল ওয়াশিংটন বার্সেলোনাকে জরিমানা ও হুলিয়ান আলভারেজের বর্তমান পরিস্থিতি কুচক্রী মহলে অপপ্রচারে বিধ্বস্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ নজরুল ইসলাম বিতর্কের আবর্তে তানজিন তিশা: নতুন মামলা ও সোলজার সিনেমার অনিশ্চয়তা স্পেনের তোলেদোয় ট্রেন সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪৬, উদ্ধারকাজ চলছে সুইজারল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির চীনের সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী লিউ ইয়ানডং আর নেই সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২২

কুমিল্লা জেলার লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার – ​রাজাপুর বাজারের নবনির্মিত সেতুর সংযোগ সড়কে মাটি ভরাটের কাজ ফেলে রেখে লাপাত্তা ঠিকাদার! চরম দুর্ভোগ এড়াতে বিত্তবানদের সহায়তায় নিজ উদ্যোগে মাটি ভরাট করছে এলাকাবাসী!

কুমিল্লা জেলার লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার সংযোগস্থল ঐতিহ্যবাহী রাজাপুর বাজার সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত নতুন ব্রিজের একপাশে মাটি ভরাটের কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ পড়ে রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম দায়িত্বহীনতা ও গড়িমসির কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছালে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

​খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রিজের দুইপাশে সংযোগ সড়কে (অ্যাপ্রোচ রোড) মাটি ভরাটের কথা থাকলেও ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র একপাশের কাজ করে দায়িত্ব শেষ করে। অন্য পাশের মাটি ভরাটের কাজ মাসের পর মাস ফেলে রাখা হয়।

অথচ এই সংযোগ সড়কের পাশেই রয়েছে নাসা হাসপাতাল এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান— যার মধ্যে রয়েছে রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, আদ-দ্বীন মডেল একাডেমি এবং রাজাপুর কওমি মাদ্রাসা। প্রতিদিন এসব প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী, রোগী এবং সাধারণ মানুষ এই রাস্তা দিয়ে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন।

​স্থানীয়রা জানান, ব্রিজের একপাশের সংযোগ সড়ক উঁচু করা হলেও অন্যপাশে গভীর খাদের মতো হয়ে থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হতো। ঠিকাদারকে বহুবার বলার পরও তারা কানে তোলেননি এবং কাজ সম্পন্ন করতে টালবাহানা করেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন উদাসীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

​জনদুর্ভোগের এই দৃশ্য দেখে আর বসে থাকতে পারেননি স্থানীয় সচেতন যুবসমাজ ও গ্রামবাসী। ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনা এবং সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতার প্রতিবাদস্বরূপ শেষ পর্যন্ত নিজেদের উদ্যোগে চাঁদা তুলে ও স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেছেন তারা।

​এ বিষয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি বরাদ্দ থাকার পরও ঠিকাদার কাজ শেষ না করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। বহুবার বলার পরও তারা কোনো কর্ণপাত করেনি।

বাধ্য হয়ে আমরা নিজেরাই মাটি ফেলে যাতায়াতের রাস্তা সচল করার চেষ্টা করছি।”
​এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এই অবহেলিত কাজের সঠিক তদারকি নিশ্চিত করা হোক এবং সরকারি প্রকল্পের বাকি কাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত