
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকসংলগ্ন এলাকা থেকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরবর্তীতে তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে শনিবার তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে। জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এবং ছাত্রী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ছাত্রীটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন ‘মল্লিক মেসে’ থাকেন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রক্টরিয়াল অফিস সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই দুই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের নির্জন স্থানে যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছিল। শুক্রবার রাতে প্রধান ফটকের পাশে এক নির্জন স্থানে তাদের দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা হাতেনাতে আটক করেন। আটকের পর তাদের প্রক্টর অফিসে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ছাত্রটিকে স্থানীয়দের চড়-থাপ্পড় ও অর্থ দাবির অভিযোগও উঠে আসে।
প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাসাবাদে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন এবং দুজনই পারস্পরিক সম্মতিতে বিয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। পরে তাদের স্বাক্ষর করা মুচলেকায় তারা উল্লেখ করেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের হাত থেকে প্রক্টরিয়াল বডি তাদের উদ্ধার করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, “দুই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা অনৈতিক আচরণের কথা স্বীকার করে এবং বিয়েতে রাজি হয়। আমরা তাদের অভিভাবকদের খবর দিয়েছি, উভয়ের পরিবারের উপস্থিতিতে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। পাশাপাশি রাতের বেলা মেসের নিয়ম অমান্য করার বিষয়ে ওই মেস মালিককেও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে, কারণ রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে ছাত্রীমেস বন্ধ করার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক 
























