
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে। বিমান ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সেখানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ওঠানামা প্রায় ৪২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে ইমাম খোমেনি বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৯১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করত। কিন্তু গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই সংখ্যা নেমে এসেছে গড়ে মাত্র ৫৩টিতে।
ফ্লাইট চলাচলের বর্তমান পরিস্থিতি:
-
সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া রুট: নিষেধাজ্ঞা ও আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের কারণে জর্জিয়া, ওমান ও আজারবাইজানের সাথে তেহরানের নিয়মিত বিমান যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
-
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাক রুট: ২৩ সেপ্টেম্বরের পর তেহরান ও দুবাইয়ের মধ্যে কোনো নতুন ফ্লাইট পরিচালিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার কথা জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তবে ইরাকের পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, শর্তসাপেক্ষে তাদের জাতীয় বিমান সংস্থাকে নাজাফ ও ইরানের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
যেসব দেশে এখনো বিমান চালু রয়েছে: চলমান কড়াকড়ির মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশের সাথে ইরানের যোগাযোগ এখনো স্বাভাবিক রয়েছে:
-
চীন ও তুরস্ক: চীনগামী ও চীন থেকে আসা দৈনিক প্রায় ৮টি ফ্লাইট অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে সবচেয়ে ব্যস্ত রুট তুরস্কের সাথে ফ্লাইট সংখ্যা ১৯ শতাংশের মতো কমলেও তা এখনো বড় একটি পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। (যদিও ইরানের ‘মাহান এয়ার’ তুরস্কের উদ্দেশ্যে বিমান চালানো বন্ধ রেখেছে, তবে ‘কাস্পিয়ান এয়ারলাইন্স’-এর মতো কিছু সংস্থা তাদের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়িয়েছে)।
-
অন্যান্য সচল রুট: আর্মেনিয়া, রাশিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও কাতারের সাথে ইরানের বিমান চলাচল এখনো অব্যাহত আছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























