
২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের লড়াইয়ে নাটকীয় এক মোড় দেখা গেল। কিলিয়ান এমবাপ্পেকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পেছনে ফেলে ফুটবলের এই মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার নিজের করে নিয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। তবে এই জয়ের পেছনে ব্যবধান ছিল অত্যন্ত সামান্য।
ফ্রান্সের জনপ্রিয় ক্রীড়াবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘এল’ইকিপ দ্য সোয়ার’-এ এসে এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের পেছনের গল্প শুনিয়েছেন ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর প্রধান সম্পাদক ভিনসেন্ট গার্সিয়া।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভোট গণনার বড় একটা সময়জুড়ে এগিয়ে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বিজয়ের মুকুট তার মাথায় উঠবে বলেই মনে হচ্ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করে নেন হ্যারি কেইন। ভোট গণনার একেবারে শেষ পর্যায়ে খুব অল্প কয়েকটি পয়েন্টের ব্যবধানে নির্ধারিত হয় চূড়ান্ত বিজয়ী।
সংকীর্ণ এই ব্যবধানের কথা বলতে গিয়ে গার্সিয়া স্মরণ করিয়ে দেন ২০২৪ সালের ব্যালন ডি’অরের কথা, যেখানে রদ্রি ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মধ্যকার পয়েন্টের ব্যবধান ছিল ৪১। সেবারের ব্যবধানকেও অত্যন্ত কম বলে ধরা হয়েছিল, তবে কেইন ও এমবাপ্পের এবারের লড়াইটি তাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে ব্যক্তিগতভাবে কাকে ভোট দিয়েছেন, সে বিষয়ে মুখ খোলেননি প্রধান সম্পাদক। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তার ভোটটি এমন এক খেলোয়াড়ের বাক্সে পড়েছে, যিনি শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি জিততে না পারলেও তা পাওয়ার পূর্ণ যোগ্যতাসম্পন্ন ছিলেন।
সব মিলিয়ে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর হ্যারি কেইনের হাতেই উঠেছে কাঙ্ক্ষিত ব্যালন ডি’অর।
স্পোর্টস ডেস্ক 






















