
ফুটবল বিশ্বে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হলো। লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে সোমবার রাতে জমকালো আয়োজনে ঘোষণা করা হলো ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের নাম। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ফুটবলের এই ব্যক্তিগত মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিজের করে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের কাপ্তান হ্যারি কেইন।
এবারের লড়াইয়ে সেরার মুকুট পরেছেন বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের এই নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই লড়াইয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন ফ্রান্সের গতি তারকা কিলিয়ান এমবাপে এবং তৃতীয় স্থান দখল করেছেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল। এছাড়া চতুর্থ হয়েছেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি।
দুই বছর পর ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ফিরেও আটবারের বিজয়ী লিওনেল মেসি ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ৩৯ বছর বয়সেও মাঠের পারফরম্যান্সে নিজের জাদু দেখিয়ে বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকা এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা এবারের ভোটে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছেন। তার এই উপস্থিতি প্রমাণ করে বয়স কেবলই একটি সংখ্যা।
এবারের শীর্ষ দশের তালিকায় তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার দারুণ এক মিশ্রণ দেখা গেছে। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন জর্জিয়ার খিচা কাভারৎস্খেলিয়া। সপ্তম স্থানে জায়গা পেয়েছেন গতবারের বিজয়ী উসমান দেম্বেলে। এছাড়া অষ্টম হয়েছেন নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড, নবম বায়ার্ন মিউনিখের মাইকেল ওলিসে এবং দশম হয়েছেন পিএসজির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজ।
সেরা বিশের বাকি স্থানগুলোতেও ছিল ইউরোপের নামিদামি তারকাদের নাম। ১১তম থেকে ২০তম স্থান পর্যন্ত ক্রমানুসারে জায়গা পেয়েছেন জুড বেলিংহ্যাম, পাউ কুবারসি, আশরাফ হাকিমি, ভিতিনিয়া, ডেকলান রাইস, ফেররান তোরেস, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মার্ক কুকুরেয়া, জোয়াও নেভেস এবং উইলিয়াম পাচো।
পুরুষদের পাশাপাশি নারী ফুটবলেও এসেছে বড় চমক। স্পেনের তারকা ফুটবলার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, যা নারী ফুটবলে তার মুকুটে যোগ করল নতুন এক সোনালী অধ্যায়।
সবমিলিয়ে হ্যারি কেইনের অভিষেক জয় এবং রেকর্ড আটবারের বিজয়ী মেসির শীর্ষ পাঁচে অবস্থান করা—এবারের ব্যালন ডি’অরকে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে করে তুলেছে দীর্ঘস্মরণীয়।
অনলাইন ডেস্ক 






















