
ভারতে কলকাতার নিউমার্কেটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ আজ শনিবার দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত এবং বাকি পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে।
পার্ক সার্কাসের পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে ভোমরা সীমান্তের উদ্দেশে রওনা হয়েছে নিহত এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ। অন্যদিকে দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবুর মরদেহ সড়কপথে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে।
নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের সম্মতিতে শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হোটেল শিখা ইন-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ধর্মতলা, মার্কুইস স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিটসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। পর্যাপ্ত অগ্নিযুগল বা সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় প্রায় ৫০টি হোটেল, লজ ও অতিথিশালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশিসহ মোট ৯ জনের করুণ মৃত্যু হয়। অন্য দুজন ভারতীয় নাগরিক।
ভারতে কলকাতার নিউমার্কেটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ আজ শনিবার দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
পার্ক সার্কাসের পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে ভোমরা সীমান্তের উদ্দেশে রওনা হয়েছে নিহত এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ। অন্যদিকে দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবুর : নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের সম্মতিতে শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হোটেল শিখা ইন-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ধর্মতলা, মার্কুইস স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিটসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। পর্যাপ্ত অগ্নিযুগল বা সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় প্রায় ৫০টি হোটেল, লজ ও অতিথিশালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৭ বাংলাদেশিসহ মোট ৯ জনের করুণ মৃত্যু হয়। অন্য দুজন ভারতীয় নাগরিক।
অনলাইন ডেস্ক; 
























