
নেপথ্যে এনজিওর অর্থসংক্রান্ত বিরোধের সন্দেহ খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস ছুটির প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর শৌচাগারের বাইরে থেকে লাগানো তালা ভেঙে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বর্তমানে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। ঘটনার বিবরণ: ওই ছাত্রী জানায়, দুপুর দুইটার দিকে ক্লাস শেষ হওয়ার পর শৌচাগারের দিকে গেলে দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তার মাথায় আঘাত করে। এরপর তার মুখে চেতনানাশত পদার্থ স্প্রে ছিটিয়ে হাত, পা ও মুখ বেঁধে ফেলা হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা সাতটার দিকে নতুন ভবন নির্মাণের কাজে থাকা শ্রমিকেরা ওয়াশরুমের ভেতর থেকে গোঙানি ও দরজার ধাক্কা শুনে তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন।
তদন্তের অগ্রগতি: দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বিদ্যালয়ের ৯টি সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্যে বারান্দার দুটি নষ্ট থাকায় ফুটেজ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
ভুক্তভোগীর বাবা একসময় একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) কাজ করতেন এবং তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির আর্থিক লেনদেন নিয়ে পুরোনো বিরোধ রয়েছে; সেটিও তদন্তে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে
অনলাইন ডেস্ক 

























