
নমুনা প্রদানে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে পাওয়া চার বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি বাতিলের দাবিতে সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে (সিএএস) দ্বারস্থ হয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের তারকা টেনিস খেলোয়াড় মার্কেতা ভন্দ্রোউসোভা।
ঘটনার পটভূমি ও মূল তথ্য:
-
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ: ২০২৬ সালের ২১ জুন থেকে কার্যকর হওয়া এই শাস্তির সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে ২০৩০ সালের ২১ জুন পর্যন্ত তিনি টেনিস কোটের বাইরে থাকবেন।
-
ঘটনার সূত্রপাত: ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাঁর বাসভবনে প্রতিযোগিতার বাইরে ডোপিং পরীক্ষার জন্য একজন কর্মকর্তা যান। তবে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা প্রকাশ করে তাঁকে ভেতরে ঢুকতে দেননি এই টেনিস তারকা।
-
অভিযোগ ও শাস্তি: ডোপিং-বিরোধী বিধিভঙ্গের দায়ে তাঁকে পরবর্তী চার বছরের জন্য সব ধরণের পেশাদার টেনিস থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।
ভন্দ্রোউসোভার ব্যাখ্যা:
গত এপ্রিলে ২৭ বছর বয়সী এই উইম্বলডন বিজয়ী নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, টানা প্রতিযোগিতার চাপে ওই সময় তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন। ৩ ডিসেম্বর রাতে ফোনে যোগাযোগ করা ওই কর্মকর্তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে না পেরে পরিবারসহ নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে পোষা কুকুর নিয়ে বাইরে হাঁটার সময় ওই কর্মকর্তা তাঁকে দিয়ে নমুনা না দেওয়ার নথিতে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।
স্পোর্টস আরবিট্রেশন কোর্ট (সিএএস) আপিলের খবরটি বিবিসি-কে নিশ্চিত করলেও এখনো শুনানির দিনক্ষণ ধার্য করেনি। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে প্রথম অবাছাই খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডন নারী একক শিরোপা জিতে বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনায় এসেছিলেন এই চেক তারকা।
অনলাইন ডেস্ক 

























