
মাদারীপুরের ডাসারে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সাব্বির হাওলাদার (২৫) নামে এক তরুণকে কক্সবাজারের টেকনাফে নিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কাছে ‘বন্ধক’ হিসেবে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে আসাদ বেপারী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, প্রায় ৩ লাখ টাকার ইয়াবা বাকিতে আনার জন্য সাব্বিরকে সেখানে রেখে এসেছেন আসাদ। বিগত প্রায় এক মাস ধরে সাব্বিরের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকায় চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী সাব্বির ডাসার উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে। এইচএসসি পাসের পর তিনি চাকরির জন্য চেষ্টা করছিলেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসাদ বেপারী একই এলাকার নোয়াবালি বেপারীর ছেলে।
পরিবারের স্বজনরা জানান, প্রায় এক মাস আগে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাব্বিরকে টেকনাফে নিয়ে যান আসাদ। সেখানে পৌঁছানোর পর টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসায়ীদের জিম্মায় সাব্বিরকে আটকে রেখে তিন লাখ টাকার ইয়াবা বাকিতে নিয়ে নিজ এলাকায় ফিরে আসেন তিনি। ইয়াবার সেই টাকা পরিশোধ না করায় টেকনাফেই আটকে রাখা হয় সাব্বিরকে। গত এক মাসের মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে মাত্র একবার কথা বলার সুযোগ পেলেও, কয়েকদিন ধরে তার মুঠোফোনটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
সাব্বিরের মা রাবেয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “চাকরির কথা বলে আসাদ আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে জানতে পারি, তাকে টেকনাফে জিম্মি রেখে তিন লাখ টাকার ইয়াবা নিয়ে এসেছে। কয়েকদিন ধরে ছেলের কোনো খবর পাচ্ছি না, সে কোথায় এবং কেমন আছে জানি না। আমি যেকোনো মূল্যে আমার ছেলেকে ফিরে চাই।”
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে অভিযুক্ত আসাদ বেপারীর মুঠোফোনে কল করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরপরই তিনি সংযোগ কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান মাহমুদ জানান, “বিষয়টি সম্পর্কে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অনলাইন ডেস্ক 





















