
ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাত থেকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষাকে প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, প্রশাসনের মূল কাজ হলো গোপনে সক্রিয় থেকে ফ্যাসিবাদের অনুসারীদের নিবৃত্ত করা, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার নিশ্চিত করা এবং সার্বিকভাবে জননিরাপত্তা বজায় রাখা।
আজ মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে (জিয়া উদ্যান/চন্দ্রিমা উদ্যান) জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ফ্যাসিবাদের শীর্ষ নেতৃত্ব দেশ ছেড়ে পালালেও তাদের চরিত্র ও মতাদর্শ লালনকারী অনেকেই এখনো ভেতরে ভেতরে সক্রিয় রয়েছে। এরা হঠাৎ করে ককটেল মিছিল কিংবা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং দেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সম্পূর্ণ সজাগ রয়েছেন। কোনো অবস্থাতেই দেশে আর বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করতে দেওয়া হবে না।
বিগত দিনের দীর্ঘ আন্দোলনের কথা স্মরণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, অনেক লড়াই, রক্তদান, গুম-খুন ও জেল-জুলুমের মধ্য দিয়ে আজ আমরা শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে পেরেছি। ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মুখে স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসকদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে—এটাই আজকের বাস্তবতা।
শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সপুসহ জিয়া মঞ্চের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























