
মতলব উত্তর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মোহনপুরে অবস্থিত এই কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে সেবাগ্রহীতা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র দেখা যায়।
অতিরিক্ত ফি আদায়:** আঙুলের ছাপ নেওয়ার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ১৮৪ টাকা হলেও সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
* **খাস কামরায় লেনদেন:** সাব-রেজিস্ট্রারের খাস কামরায় বসে খায়ের নামে এক কর্মচারীর অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার দৃশ্য ধারণ করা হয়। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে পরবর্তীতে তিনি কাজ বন্ধ রাখেন।
* **অন্যান্য অনিয়ম:** দলিলের নকল উত্তোলন ও পৌর এলাকার জমি নিবন্ধনে নির্ধারিত রাজস্বের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রতারক চক্র কর্তৃক অন্যের জমি গোপনে বিক্রির চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগও করেছেন সেবাগ্রহীতারা।
* **সীমাবদ্ধতা ও চাপ:** উপজেলায় ৩ লাখের বেশি মানুষের জন্য সাব-রেজিস্ট্রার কচুয়া উপজেলার পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এখানে সপ্তাহে মাত্র দুইদিন কাজ করেন। ফলে সপ্তাহের প্রথম দুইদিন কার্যালয়ে ভিড় ও ভোগান্তি বেশি থাকে।
* **কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:** সাব-রেজিস্ট্রার মাহবুবের রহমান ওয়াজেদ কর্মচারীদের কিছু ভুলত্রুটি থাকার কথা স্বীকার করে তাদের সতর্ক করার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি খাস কামরায় প্রকাশ্যে টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
সেবাগ্রহীতাদের দাবি, নিয়মিত সতর্কতার পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে এভাবে হয়রানি ও আর্থিক ক্ষতির মুখেই পড়তে হবে।
অনলাইন ডেস্ক 




















