
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসা-যাওয়ার পথে নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান। শতাধিক গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত এই আসামির উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে সশরীরে আদালতে না এনে কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি (অডিও-ভিজ্যুয়াল কনফারেন্স) শুনানিতে যুক্ত করার আবেদন জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বিষয়টি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
আদালতে যা বলা হলো:
জিয়াউল আহসানের উদ্বেগ: প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানান, শুনানিকালে জিয়াউল আহসান নিজেই আদালতে তাঁর জীবননাশের আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে যাতায়াতের সময় পথে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাইয়া তাঁর ওপর দায় চাপানো হতে পারে।
প্রসিকিউশনের আবেদন: এই নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনা করে প্রসিকিউশন প্রস্তাব করে, তাঁকে সশরীরে আদালতে হাজির না করে কেরানীগঞ্জ কারাগারেই রেখে প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুনানিতে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
বিবাদীপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য: জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজনীন নাহার আদালতে ভিন্ন অভিযোগ এনে জানান, আগে অন্য সব বন্দীর সঙ্গে এক গাড়িতে তাঁকে আনা হলেও গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁকে একা একটি গাড়িতে আনা হচ্ছে। একে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি তাঁকে অন্যান্য বন্দীদের সাথেই একসাথে পরিবহন করার আবেদন জানান।
উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শোনার পর ট্রাইব্যুনাল আবেদন দুটি বিবেচনাধীন রেখে আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























