Dhaka ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ওমর কাউসার ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, নীরব কর্তৃপক্ষ জরিমানা ছাড়াই গাড়ির কাগজ ও লাইসেন্স হালনাগাদের মেয়াদ বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভোগান্তি এড়াতে অনতিবিলম্বে সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ বিআরটিএ ও সচেতন মহলের! যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ফুলব্রাইটের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ ইউজিসির শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার আগ্রহ সখীপুরে কৃষিজমির মাটি খুঁড়ে মিলল ১৯৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তান পুলিশের অস্ত্রভাণ্ডার! জুলাই অভ্যুত্থান পেরোলেও বদলায়নি চিত্র: বিতর্কিত ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তারাই এখন সচিব! বরগুনার গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ ৫. অবৈধ সম্পদ অর্জন: সাবেক সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন দম্পতির ব্যাংক হিসাব জব্দ দুদকের আবেদন: ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ আদালতের ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ বহাল: হাইকোর্টে খারিজ রিট

চকরিয়ায় বৌদ্ধ শ্মশান ধংস করে অবৈধ বালু উত্তোলন, নেপথ্যে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফাদুখোলা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে একটি অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারী সিন্ডিকেট। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে চলা এই চক্রের থাবা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শ্মশানের জমিও।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্মশানের ওপর দিন-রাত প্রকাশ্যেই ড্রেজার (সেলু) মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ও সাবেক ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মো. করিমের সরাসরি নেতৃত্বে এই প্রভাবশালী চক্রটি ফাদুখোলা এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া চকরিয়া ও বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের আরও কিছু রাজনৈতিক নেতার পরোক্ষ মদদে চক্রটি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অবাধে ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং সরকারি গ্রামীণ রাস্তাঘাট চরম হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক এলাকা ইতিমধ্যে ধসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে কিংবা উপজেলা প্রশাসন বা গণমাধ্যমকে জানালে, দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাবেই এই সিন্ডিকেট এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পেরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শাহীন দেলোয়ার জানান, পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন-পাচারকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের ক্ষতিসাধনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

চট্টগ্রাম কাস্টমসের ওমর কাউসার ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, নীরব কর্তৃপক্ষ