
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফাদুখোলা এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে একটি অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাচারকারী সিন্ডিকেট। রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে চলা এই চক্রের থাবা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের শ্মশানের জমিও।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্মশানের ওপর দিন-রাত প্রকাশ্যেই ড্রেজার (সেলু) মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন ও সাবেক ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মো. করিমের সরাসরি নেতৃত্বে এই প্রভাবশালী চক্রটি ফাদুখোলা এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া চকরিয়া ও বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের আরও কিছু রাজনৈতিক নেতার পরোক্ষ মদদে চক্রটি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
অবাধে ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং সরকারি গ্রামীণ রাস্তাঘাট চরম হুমকির মুখে পড়েছে। অনেক এলাকা ইতিমধ্যে ধসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে কিংবা উপজেলা প্রশাসন বা গণমাধ্যমকে জানালে, দলীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাবেই এই সিন্ডিকেট এতটা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পেরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শাহীন দেলোয়ার জানান, পরিবেশ ধ্বংসকারী ও অবৈধ বালু উত্তোলন-পাচারকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের ক্ষতিসাধনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
অনলাইন ডেস্ক 




















