
যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগীদের মশারি ব্যবহারের তীব্র অনীহা এবং মারাত্মক জায়গার সংকটের কারণে হাসপাতালজুড়ে ডেঙ্গু সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত ওয়ার্ডের এক কোণে ২০ শয্যা নিয়ে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের কার্যক্রম চালানো হলেও সেখানে রোগীর সংখ্যা সব সময়ই বেশি থাকে। সম্প্রতি একপর্যায়ে রোগীর সংখ্যা ৪৫ জনে পৌঁছায়। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি থাকছেন, যার মধ্যে মঙ্গলবার এক দিনেই ২৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।
তবে সামগ্রিক হাসপাতালের চিত্র আরও ভয়াবহ। আড়াইশ’ শয্যার এই হাসপাতালে ২৭৪টি শয্যা (করোনারী কেয়ার ইউনিটের শয্যাসহ) থাকলেও প্রতিদিন আট শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। মঙ্গলবারও হাসপাতালে মোট ৮২২ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। নির্ধারিত শয্যার পাশাপাশি হাসপাতালের মেঝে, সিঁড়ি এবং এমনকি র্যাম্পেও গাদাগাদি করে অবস্থান করছেন রোগীরা।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবীর ডেঙ্গু ওয়ার্ডের এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, শয্যা সংখ্যার অনুপাতে মশারি সরবরাহ করা হলেও অতিরিক্ত রোগীদের (যারা মেঝেতে থাকেন) জন্য কোনো মশারি বরাদ্দ নেই। এছাড়া, যাদের মশারি দেওয়া হয়, তারাও সচেতনতার অভাবে তা টাঙাতে চান না এবং বারবার বলার পরও তা মানছেন না।
চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে ডেঙ্গু রোগীদের আলাদা রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় রোগীরা মশারির ভেতরে না থাকলে তা থেকে অন্যদের মাঝেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা অত্যন্ত প্রবল।
অনলাইন ডেস্ক 

























