Dhaka ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ছোটপর্দায় নতুন যাত্রায় অভিনেত্রী নূপুর আহসান, আসছে ৭টি নতুন প্রজেক্ট ৬৬ বছরের ইতিহাসে সেরা অঘটন দেখল বিশ্ব বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি সোনা ছিনতাই: ৪ জন গ্রেপ্তার, ৮৮ লাখ টাকা উদ্ধার টাইব্রেকারের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে সিশেলসকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বাংলাদেশ অদক্ষ নয়, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: আরিফুল হক চৌধুরী গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলা: দুইজনের ফাঁসি, একজনের যাবজ্জীবন নারী ও শিশুর কল্যাণ অগ্রাধিকার পাচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী কক্সবাজারে রিসোর্টে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: যশোরের মণিরামপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে দাফন সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে ঘিরে সম্পদ ও ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগর থানা পুলিশ কর্তৃক ০১(এক)টি চোরাইকৃত সিএনজি অটোরিক্সা সহ আন্তঃজেলা সিএনজি অটোরিক্সা চোর চক্রের ০৩(তিন) সদস্য আটক ও মামলা রুজু।

ইসলামী ব্যাংক থেকে ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ভুয়া কাগজপত্রের আশ্রয় নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রাম জুবলী রোড শাখা থেকে ৬৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী ও আরামিট সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুকমীলা জামানসহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন। পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম।

দুদকের এজাহারে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের এক কর্মচারীকে ভুয়া ব্যবসায়ী এবং নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান ‘ক্লাসিক ট্রেডিং’কে পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে দেখানো হয়। অপরদিকে আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডকে দেখানো হয় পণ্য গ্রহণকারী। বাস্তবে কোনো ধরনের পণ্য সরবরাহ না করেই ভুয়া বিল ও কাগজপত্র তৈরি করে ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখায় জমা দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২৭টি ভুয়া বাই-মুরাবাহা বিনিয়োগ চুক্তির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ৬৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থ তুলে নেন। এই পুরো অর্থ পরবর্তীতে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়, যা স্পষ্টতই মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী ছাড়াও আরামিট সিমেন্টের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মোহাম্মদ শাহ আলম, এজিএম একেএম মারুফ এবং ক্লাসিক ট্রেডিংয়ের কথিত মালিক ও আরামিট সিমেন্টের এজিএম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে আসামি করা হয়েছে।

পাশাপাশি ব্যাংকটির তৎকালীন কর্মকর্তাদের মধ্যেও অনেকেই এই মামলার আসামি হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন—ইসলামী ব্যাংকের জুবলী রোড শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মহিউদ্দীন, মোহাম্মদ আখতার হোসেন, মোহাম্মদ আবদুল হক, শাখা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল করিম, মো. শহিদুল্লাহ, মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, আবুল কালাম আজাদ এবং রিদওয়ানুল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

ছোটপর্দায় নতুন যাত্রায় অভিনেত্রী নূপুর আহসান, আসছে ৭টি নতুন প্রজেক্ট