
“শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশের পথিকৃৎ। তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে একটি আধুনিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।” হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘শিক্ষাঙ্গন থেকে জাতীয় ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই সভায় তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও নৈতিকতাসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে পথ দেখিয়েছে। তরুণ প্রজন্মের সাহস, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধই আগামী দিনের নেতৃত্ব ঠিক করবে। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিসিএস কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদদের মতো যোগ্য নেতৃত্ব উঠে আসবে।
শিক্ষাঙ্গনকে শুধু জ্ঞান অর্জনের স্থান না ভেবে সু-নাগরিক গড়ার কারখানা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকাসক্তি ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং বিতর্কে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে মাতৃভাষার পাশাপাশি বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জনেরও তাগিদ দেন তিনি।
শিক্ষকদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, শুধু ভালো ফলাফল নয়; শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং গণতান্ত্রিক মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি দুর্নীতিকে দেশের উন্নয়নের প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সমাজের সর্বস্তরে সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ, পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ এবং প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মজীদ। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক 





















