
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় কারামুক্তি পেয়েছেন বিএনপির সাবেক সাংসদ ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। গ্রেপ্তারের ঠিক এক মাস পর আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার গোলাম ফারুক তাঁর কারামুক্তির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে কারাফটক থেকে আখতারুজ্জামানকে তাঁর পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতা-কর্মীরা অভ্যর্থনা জানিয়ে গ্রহণ করেন।
গত ১ অক্টোবর রাতে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি-সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। এর পরদিন ২ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
অধস্তন আদালতে জামিন না পেয়ে পরে হাইকোর্টে আবেদন করেন আখতারুজ্জামান। গত রোববার হাইকোর্ট শুনানি শেষে তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন স্থগিতের আবেদন করলেও গতকাল সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেটিতে ‘নো অর্ডার’ দেন, যার ফলে তাঁর মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকেনি।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর সন্তান মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে টানা দুবার বিএনপির মনোনিত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। একসময় কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যুতে আলোচনা থাকা এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
অনলাইন ডেস্ক 
























