
মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনাসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পর, এবার দেশটির কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়ার জোরালো প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের (ইউএস ট্রেজারি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠক প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা (ডেড ম্যানেজমেন্ট)সহ সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি। বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্য বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে আসছে, আমরা সে অনুযায়ী আমদানি বাড়াচ্ছি। বাংলাদেশ যখন এত পরিমাণ মার্কিন পণ্য ও উড়োজাহাজ কিনছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমর্থন পাওয়ার উপযুক্ত সময় এটি।”
উল্লেখ্য, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির জেরে সৃষ্ট শুল্ক চাপ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিভিন্ন পণ্যের আমদানি বাড়াতে শুরু করে বাংলাদেশ। এর অংশ হিসেবে দুই ধাপে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হয়। এছাড়া, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমান সরকারও এই বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছিল।
আমদানি বাড়ানোর এই বিশাল প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, মার্কিন প্রশাসন এখন বাংলাদেশের পাশে থেকে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।
অনলাইন ডেস্ক 
























