Dhaka ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ডাকের থার্ড ক্লাস কর্মচারি খলিলের কোটি টাকার সাম্রাজ্য তাফতান সীমান্ত বন্ধ: পাকিস্তানে মারাত্মক এলপিজি সংকটে আকাশছোঁয়া দাম সেনোরার হাত ধরে দক্ষিণ এশীয় নারী ফুটবলে শুরু হলো ‘প্লে অন পিরিয়ড’ যাত্রা নতুন নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি: আহ্বায়ক মিল্টন, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি জিন্নাহ কবির: “ঘুষ, দুর্নীতি ও মাদকের স্থান হবে না, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে” তৈরি পোশাক খাতে অস্থিরতা: সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান – ফখরুল ইসলাম এমপি ছাত্রলীগ ফিরলে কারো রক্ষা নেই: ফারুক হাসান ৬৭ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে নতুন ঠিকানায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ: কার্যক্রম শুরু হলো ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ঝাড়খণ্ডে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার নারী, অভিযুক্ত কনস্টেবল গ্রেপ্তার ও ওসি সহ ৫ পুলিশ বরখাস্ত

৮০ কোটি টাকার বিআইডব্লিউটিএ টেন্ডারে কবিরস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন চাঁদপুর যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের একটি বড় টেন্ডারকে কেন্দ্র করে গুরুতর অনিয়ম, পূর্বনির্ধারিত মূল্যায়ন এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে।
টেন্ডারে অংশ নেওয়া কুমিল্লা ডকইয়ার্ড বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে দাবি করেছে, প্রকৃত মূল্যায়ন ছাড়াই মাত্র এক কার্যদিবসের মধ্যে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে এবং সর্বনিম্ন দরদাতাকে উপেক্ষা করে অধিক দরদাতাকে কাজ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, টেন্ডার নং ১২৯৪৯৯৩ (BRWTP-W3-LOT-02A)-এর দরপত্র খোলা হয় ২৫ জুন ২০২৬ বিকেল ৪টায়। অভিযোগকারীর ভাষ্য, পরদিনই কার্যাদেশ চূড়ান্ত করা হয়। অথচ ৮০ কোটিরও বেশি টাকার একটি অবকাঠামো প্রকল্পের প্রশাসনিক, কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন, যোগ্যতা যাচাই এবং অনুমোদন সম্পন্ন করতে সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে।

অভিযোগকারী যৌথ উদ্যোগের দাবি, এত অল্প সময়ে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন বাস্তবে সম্ভব নয়। তাদের অভিযোগ, কার্যাদেশের সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা।
টেন্ডার ওপেনিং রিপোর্টের তথ্য উল্লেখ করে অভিযোগে বলা হয়েছে, টিবিইএএল-টিসিএসবিএল-টিইসি যৌথ-এর মূল্যায়িত দর ছিল ৭৬ কোটি ২৩ লাখ ৫৬ হাজার ১১ টাকা, যেখানে মায়ার-কবিরস সিন্ডিকেটের মূল্যায়িত দর ছিল ৮০ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা বেশি দর থাকা সত্ত্বেও তাদের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠানের মতে, সরকারি ক্রয়বিধি অনুযায়ী কারিগরি দিক থেকে যোগ্য সর্বনিম্ন দরদাতাকেই কার্যাদেশ দেওয়ার কথা। সেই নীতি অনুসরণ করা হলে সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব ছিল। চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কার্যাদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অতীত প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেছে, পূর্বে বিআইডব্লিউটিএর একাধিক প্রকল্পে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় সময় বাড়াতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও একই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগকে আবারও বড় প্রকল্প দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

ডাকের থার্ড ক্লাস কর্মচারি খলিলের কোটি টাকার সাম্রাজ্য