
রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে জেলগেটে ৩ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে গ্রেপ্তারকৃত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে এ জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।
তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মূল বিষয়গুলো:
-
রিমান্ড আবেদন ও আদালতের নির্দেশ: সোমবার রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে বিচারক রফিকুল ইসলাম আগামী তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দুই দিন প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা করে আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি প্রদান করেন। সেই নির্দেশনার আলোকেই প্রথম দিনের এ জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন হলো।
-
তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের বক্তব্য: রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ জানান, এটি অত্যন্ত রোমহর্ষক ও আলোচিত একটি ঘটনা। পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও সতর্কতার সঙ্গে ঘটনার প্রতিটি দিক বিশ্লেষণ করছে। রহস্য উদঘাটনের তারা একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
-
ঘটনাবলি ও সাক্ষ্য গ্রহণ: গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ইতোমধ্যে এ মামলায় তাদের বন্ধু সীমান্ত দাস ও স্থানীয় শ্মশান পাহারাদার বিদ্যুৎ মোহন্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























