
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৭নং কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের একটি রাস্তা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত “২০০ বছরের সরকারি ম্যাপের রাস্তা বন্ধ করে ১টি পরিবারকে অবরুদ্ধ রাখা হয়েছে” শীর্ষক অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং এলাকাবাসী।
তাদের দাবি, প্রচারিত সংবাদে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার কোনো মিল নেই। সেখানে যে রাস্তাকে “দুই শত বছরের সরকারি ম্যাপের জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে সেটি সরকারি রেকর্ডভুক্ত জনসাধারণের রাস্তা কি না, সে বিষয়ে কোনো প্রমাণের তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। একই সঙ্গে ১টি পরিবার অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে—এমন দাবিরও কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই বলে তারা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট পক্ষ আরও অভিযোগ করেন, একতরফা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যক্তি ও পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কয়েকজনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও তাদের বক্তব্য নেওয়া হয়নি, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের মতে, জমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে সেটি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য বিষয়। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো পক্ষের বক্তব্যকে সত্য হিসেবে প্রচার করলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং সামাজিক বিরোধ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের মাধ্যমে যে কোনো বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্যের অবসান হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা গণমাধ্যমকে সব পক্ষের বক্তব্য নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা রিছিল বলেন, আমি সরেজমিনে গিয়েছিলাম, সীমানার প্রাচীর যেখানে দিয়েছে সেটা সরকারি ম্যাপের কোনো রাস্তা না। তবে জনগণের চলাচলের বিঘ্ন ঘটিয়ে কেউ সীমানার প্রাচীর নির্মাণ করতে পারে না। আমি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে ডেকেছি, যদি না আসে তাহলে আমি আমার মত করে ব্যবস্থা নিব।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























