
অতিরিক্ত সচিব খলিল আহমেদ বর্তমানে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোপূর্বে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ২২ এপ্রিল ২০২৬-এ তাকে নতুন এই পদে পদায়ন করা হয়।
তিনি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব এলাকা খাজুরিয়া ছোট ভবানী পুর গ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
তাঁর বড় ভাই জনাব নেছার আহেমদ ১১ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন। এবং বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে আমেরিকায় পরিবারসহ বসবাস করছেন।
৩য় ভাই সহিদুল ইসলাম (সহিদ আহমদ) সহকারী অধ্যাপক বাংলা বিভাগ, শংকুচাইল ডিগ্রি কলেজ বুড়িচং কুমিল্লা
এবং ৪র্থ ভাই ফারুক আহমেদ লিটন মেহের ডিগ্রী কলেজ শাহরাস্তি চাঁদপুর। সরকারি অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন।
তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মহনসিংহ এবং ইউনিভার্সিটি অব বেডফোর্ডশায়ার, যুক্তরাজ্য (প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট) থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নেত্রকোণায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ওয়াসা এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড) এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে মাঠ প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় প্রশাসনে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করে প্রকল্প মনিটরিং, নীতি বাস্তবায়ন এবং কর্মসম্পাদন মূল্যায়নে দক্ষতা ও সুনাম অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুগ্মসচিব হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থাকার পর বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে পদায়িত হন।
প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি একজন সৃজনশীল লেখক হিসেবেও পরিচিত। তাঁর রচিত নাটক ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে রাশমনি, বৈশাখী ফকির, ষড়ঋতুর চক্রবাক, হ্যাপি মাদার’স ডে ইন ইংল্যান্ড, চেয়ারম্যানের ভোট, অসাবধানতা, আধুনিক ফকির, গেদু কবিরাজ, ইত্যাদি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















