Dhaka ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঠিকাদার-নির্ভর আসবাব কেনে গণপূর্ত,নিজস্ব কারখানা অচল সুনামগঞ্জে ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধ ও ইজারা চালুর দাবিতে মানববন্ধন চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা গুজবে কান নয়, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন: আইসিটি মন্ত্রী রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে দা দিয়ে কোপের অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যু সাবেক তাঁতীলীগ নেতা এখন সাংবাদিক, ঘিরে উঠছে একের পর এক অভিযোগ টেকনাফে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিক জামালকে হাসপাতালে দেখতে বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গোপালগঞ্জে ট্রাক ও নসিমনের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত-২ উত্তরা ১৪ নাম্বর সেক্টরে রাস্তার ওপর অবৈধ স্থাপনার অভিযোগ, দ্রুত উচ্ছেদের দাবিতে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ নবনিযুক্ত ইউএনও লিখন বণিককে নাগরপুর জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার অভিনন্দন

এক ওয়ার্ডে ভোটার, অন্য ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য! লতায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগের অভিযোগ

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য স্বপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে এক ওয়ার্ডের ভোটার হয়ে অন্য ওয়ার্ডের সদস্যপদ বহাল রেখে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্বপন মণ্ডল বর্তমানে লতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (লতা-বাবনেরআবাদ) এলাকার ভোটার হলেও তিনি ২নং ওয়ার্ড (পুতলোকালী, ধলাই ও হাঁড়িয়া) থেকে নির্বাচিত ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ অবস্থায় তিনি সরকারি বেতন-ভাতা ও পরিষদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও গ্রহণ করে আসছেন।
স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে তার ভোটার এলাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপন মণ্ডল প্রথমে দাবি করেন, তার ভোটার স্থানান্তর হয়নি। পরে তিনি বলেন, প্রায় তিন মাস আগে ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনো কোনো কাগজপত্র হাতে পাননি।
এ বিষয়ে লতা ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) জাভেদ ইকবাল জানান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী একজন ইউপি সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকাভুক্ত হতে হবে। কোনো সদস্য অন্য ওয়ার্ডে ভোটার স্থানান্তর করলে তিনি পূর্বের ওয়ার্ডের ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েন। সেক্ষেত্রে তার সদস্যপদ বহাল থাকার বিষয়ে আইনি প্রশ্ন সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা লতা ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
তবে উল্লেখ্য, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

ঠিকাদার-নির্ভর আসবাব কেনে গণপূর্ত,নিজস্ব কারখানা অচল

এক ওয়ার্ডে ভোটার, অন্য ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য! লতায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য স্বপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে এক ওয়ার্ডের ভোটার হয়ে অন্য ওয়ার্ডের সদস্যপদ বহাল রেখে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, স্বপন মণ্ডল বর্তমানে লতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড (লতা-বাবনেরআবাদ) এলাকার ভোটার হলেও তিনি ২নং ওয়ার্ড (পুতলোকালী, ধলাই ও হাঁড়িয়া) থেকে নির্বাচিত ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ অবস্থায় তিনি সরকারি বেতন-ভাতা ও পরিষদের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও গ্রহণ করে আসছেন।
স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে তার ভোটার এলাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপন মণ্ডল প্রথমে দাবি করেন, তার ভোটার স্থানান্তর হয়নি। পরে তিনি বলেন, প্রায় তিন মাস আগে ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনো কোনো কাগজপত্র হাতে পাননি।
এ বিষয়ে লতা ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) জাভেদ ইকবাল জানান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী একজন ইউপি সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকাভুক্ত হতে হবে। কোনো সদস্য অন্য ওয়ার্ডে ভোটার স্থানান্তর করলে তিনি পূর্বের ওয়ার্ডের ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েন। সেক্ষেত্রে তার সদস্যপদ বহাল থাকার বিষয়ে আইনি প্রশ্ন সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা লতা ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
তবে উল্লেখ্য, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।