Dhaka ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২%, জিপিএ-৫ পেল ৪০,০৮৪ জন রাণীনগরে ২৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি ছিনতাইয়ের ৩২ লাখ টাকা ঢাকার ট্রাফিকে নতুন দিগন্ত: ১ নভেম্বর থেকে ৬ রুটে নামছে ‘এক কোম্পানির’ বাস দেশের বাজারে কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম: ২২ ক্যারেটের ভরি এখন ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা রাশিয়াকে নিয়ে হুংকার কম, সংযত থাকুন: ন্যাটো মিত্রদের পেন্টাগনের কড়া বার্তা মাসব্যাপী বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক উৎসবের ঘোষণা সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর: মঞ্চে থাকবে নজরুল-রবীন্দ্রনাথ থেকে ব্যান্ড সংগীত শিরোনাম: ইতিহাস গড়লেন পোপ লিও চতুর্দশ, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রথম কোনো পোপের ভোটাধিকার প্রয়োগ রিয়াদে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ডিএনএ টেস্টে শনাক্ত হওয়া শেষ ৭ প্রবাসীর মরদেহও দেশে সরাইলের ওসি মনজুর কাদেরকে শোকজ: আইনি সদস্যপদ নিয়ে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির কঠোর পদক্ষেপ ফিফার নারী বিশ্বকাপ প্রাইজমানি দ্বিগুণ: সমতা থেকে এখনও যোজন যোজন দূরে

জামিন পেলেও মুক্তি মেলেনি: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার মৃ;ত্যু;

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৯:১৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৭ বার

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা নুর ইসলাম মারা গেছেন। আদালত থেকে জামিন পাওয়ার দুই দিন পরও কারামুক্ত হতে না পেরে শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নুর ইসলাম (৫৪) মিরসরাই পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং স্থানীয় ‘মাতৃকা’ নামক একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিপণন বিভাগে চাকরি করতেন। তিনি দুই ছেলে ও এক সন্তানের জনক।

ঘটনার বিবরণ ও আইনজীবী’র অভিযোগ

নুর ইসলামের আইনজীবী শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেন, আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও তাকে অন্যায্য ও বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।

  • ৩১ আগস্ট: আদালত নুর ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন এবং সেদিন বিকেলেই জামিনের লিখিত আদেশ কারাগারে পৌঁছায়।

  • ২ সেপ্টেম্বর: জামিন আদেশ কার্যকরের পরিবর্তে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।

আইনজীবীর মতে, জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর তার মুক্তিতে কোনো আইনি বাধা থাকার কথা ছিল না। কিন্তু মিরসরাই থানা পুলিশ তাকে অন্য একটি মামলায় ‘গ্রেপ্তার দেখানোর’ (শো-অ্যারেস্ট) আবেদন করায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। ওই আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য ছিল। ২ সেপ্টেম্বর মৃত্যুর আগপর্যন্ত তার বিরুদ্ধে নতুন কোনো কার্যকর আটকাদেশ বা পরোয়ানা ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।

পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

  • কারা কর্তৃপক্ষ: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, এক বন্দি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জামিনের পরও আটকে রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ বা আইনি আদেশ ছাড়া কাউকে আটকে রাখা সম্ভব নয় এবং তাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল।

  • পুলিশ প্রশাসন: মিরসরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আওলাদ হোসেন জানান, নুর ইসলামকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করা হয়েছিল, তবে আদালত এ বিষয়ে কী আদেশ দিয়েছেন তা তার জানা নেই।

মাসখানেক আগে মিরসরাই থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা তার মুক্তির অপেক্ষায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করতে হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২%, জিপিএ-৫ পেল ৪০,০৮৪ জন