
রংপুরের আলোড়ন সৃষ্টিকারী চার হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসা থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রতিবেশী শান্ত দাস।
রবিবার বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালতের বিচারক এস এম রফিকুল ইসলামের খাসকামরায় তাঁর এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি জিন্নাত আলী তাঁকে আদালতে হাজির করেন।
জবানবন্দিতে শান্ত দাস জানান, মামলায় গ্রেপ্তারকৃত মূল আসামি মুগ্ধ দাসের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ একটি ডাবগাছের তলদেশ থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে। উদ্ধার অভিযানের সময় তিনি নিজে উপস্থিত থেকে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন।
মামলার সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি) অ্যাডভোকেট কাওসার আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মুগ্ধ দাসের নিজ হাতে দেখানো স্থান থেকেই পুলিশ অলংকারগুলো উদ্ধার করে এবং শান্ত দাস সেই প্রক্রিয়ার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন।
ডিবির ওসি জিন্নাত আলী বলেন, শান্ত দাসের এ সাক্ষ্য মামলার তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু জানাতে তিনি রাজি হননি।
অন্যদিকে, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর দুটি ব্যাংক হিসাবের গচ্ছিত অর্থ নিয়েও পুলিশ তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ গৃহ থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, কন্যা আগামী চক্রবর্তী ও পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় এর আগে আসামিদ্বয়ের বন্ধু সীমান্ত দাস এবং স্থানীয় শ্মশানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মহন্তও আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক 
























