
কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তারের ঘটনা কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে এমপি আব্দুল গফুর স্পটভাবে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর বা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো ধরনের রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার পশ্চিম মাটিকাটা এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর এক বিবৃতিতে সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করেন:
-
বাসস্থান সংক্রান্ত তথ্য: মিজানুর রহমানকে তাঁর ‘নিজস্ব বাসভবন’ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। ঢাকায় মাটিকাটা এলাকায় তাঁর কোনো ব্যক্তিগত বাড়ি নেই; তিনি মূলত সরকারি বরাদ্দের ন্যাম ভবনে অবস্থান করেন।
-
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা: মিজানুর রহমানের এই ঘটনাটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিষয়। এর সঙ্গে এমপি মো. আব্দুল গফুর কিংবা জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ভাবমূর্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
-
ব্যবসায়িক বিরোধ ও মামলা: আব্দুল গফুর জানান, ‘নিউ গ্রিন প্রোপার্টিজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিজানুর রহমানের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। প্রতিষ্ঠানটির কাছে তাঁর পাওনা টাকা বকেয়া থাকায় তিনি পূর্বে আইনি পদক্ষেপ নেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাইফুল ইসলাম আংশিক টাকা পরিশোধ করলেও বাকি টাকা এড়াতে পাল্টা মামলা করেন, যা আদালত কর্তৃক খারিজ হয়ে যায়।
-
ষড়যন্ত্রের দাবি: সাম্প্রতিক ভাঙচুরের ঘটনায় মিজানুর রহমানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই উল্লেখ করে এমপি দাবি করেন, মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে মোড় ঘুরিয়ে রাজনৈতিকভাবে তাঁকে ও তাঁর দলকে হেয় করতেই এই ‘সাজানো নাটক ও ষড়যন্ত্র’ করা হচ্ছে।
তবে মিজানুর রহমানকে ঠিক কী অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিংবা বর্ণিত ব্যবসায়ী বিরোধের সঙ্গে এই গ্রেপ্তারের সরাসরি কী সম্পর্ক, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অনলাইন ডেস্ক 

























