
রাজধানীর শ্যামপুর থানাধীন জুরাইনের শাহাদাৎ হোসেন সড়কে রাজউকের অনুমোদন ও নির্মাণবিধি তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই অনিয়ম ধামাচাপা দিতে এবং বিষয়টি মীমাংসা করার নামে দেড় লাখ টাকা লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জোন-৭-এর নির্মাণ পরিদর্শক শাহিদা শারমিন ও অথোরাইজড কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জুরাইনের ১৬৯/ট নম্বর হোল্ডিংয়ে ডা. মো. কাফির মালিকানাধীন এই ভবনটিতে প্রয়োজনীয় সেটব্যাক ও ফাঁকা জায়গা রাখা হয়নি। এর ফলে পাশের ভবনের খুব কাছাকাছি কাঠামো তৈরি হওয়ায় আলো-বাতাস চলাচল ব্যাহত হওয়াসহ চরম নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে। রাজউকের নোটিশ ও রহস্যজনক নীরবতা:গত ১৩ আগস্ট রাজউক জোন-৭-এর কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গিয়ে ভবন মালিকের কাছে অনুমোদিত নকশা, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও নির্মাণ অনুমোদনপত্র দেখতে চান। কিন্তু মালিক তা দেখাতে ব্যর্থ হন।
এরপর কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশসহ ১৫ দিনের মধ্যে জবাব চেয়ে নোটিশ দেওয়া হলেও বাস্তবে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি। প্রথম তলার পর ধীরে ধীরে দ্বিতীয় তলার কাজও সম্পন্ন করা হয়। ঘুষ বাণিজ্য ও প্রশাসনিক প্রশ্ন:নিয়মবহির্ভূত এই নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখার পেছনে রাজউকের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেড় লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জোরালো অভিযোগ তুলেছেন।
অভিযুক্ত পরিদর্শক শাহিদা শারমিন নোটিশ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে কাজ বন্ধে কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেননি। অন্যদিকে, অথোরাইজড কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ফোন কেটে দেন এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবন মালিক মো. কাফি দাবি করেছেন রাজউকের কর্মকর্তাদের সঙ্গেই কথা বলেই তিনি বিষয়টির মীমাংসা করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা রাজউক চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























