
প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের কল্পনাশক্তির মেলবন্ধন ঘটাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) সৃজনশীলতাকে স্বীকৃতি দিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর চূড়ান্ত বিচারকার্য। দ্য ডেইলি স্টার কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, ফ্যাশন, সংগীত ও মার্কেটিং খাতের শীর্ষস্থানীয় পেশাজীবীরা বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল— ‘Human Creativity. AI Possibilities.’। এআই প্রযুক্তির যুগে মানুষের নিজস্ব ভাবনা, মৌলিক ধারণা এবং গল্প বলার দক্ষতাকে প্রাধান্য দিয়ে এই আয়োজন এ দেশের ক্রিয়েটিভ কমিউনিটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
এবারের আসরের চূড়ান্ত পর্বের বিচারক প্যানেলে ছিলেন দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের স্বনামধন্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা:
অমিতাভ রেজা চৌধুরী (চলচ্চিত্র নির্মাতা)
তানজিলা বাহার চৌধুরী (হেড অব মার্কেটিং, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ)
হাসিব হাসান চৌধুরী (প্রতিষ্ঠাতা, সিবস সল্যুশন)
কিংকর আহসান (লেখক ও সিইও, হাভাস বাংলাদেশ)
সাজিদ মাহবুব (গ্রুপ সিইও ও এক্সিকিউটিভ এডিটর, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম)
হাসিবুল হোসেন উপল (ড্রামার, ড্রিক)
আহমেদ তুহিন রেজা (ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, হাউস অব আহমেদ)
ইসমামুল ফারহাদ (লিড গিটারিস্ট, শূন্য ও কমিউনিকেশনস স্ট্র্যাটেজিস্ট)
মাহাদী ফয়সাল (সংগীতশিল্পী ও মার্কেটিং ডিরেক্টর, এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেড)
তাদের বহুমুখী অভিজ্ঞতা ও বিচারবুদ্ধি জমা পড়া কাজগুলোর মৌলিকত্ব, নান্দনিকতা এবং প্রভাব মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় মূলত সৃজনশীলতার বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করতে মোট চারটি বিভাগে কাজ জমা নেওয়া হয়েছে:
১. এআই বিজ্ঞাপন
২. এআই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
৩. এআই মিউজিক ভিডিও
৪. এআই ফ্যাশন
শুধুমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং এআই-কে কাজে লাগিয়ে কীভাবে মানুষের নিজস্ব সৃজনশীল ভাবনাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে—সেটিই ছিল মূল মূল্যায়নের বিষয়। জমা পড়া কাজগুলোর বৈচিত্র্য প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের তরুণ ক্রিয়েটরদের মধ্যে এআই-নির্ভর শিল্পচর্চার আগ্রহ দিন দিন কতটা বাড়ছে।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য কেবল পুরস্কার প্রদানই নয়; বরং নতুন প্রজন্মের ক্রিয়েটরদের উদ্ভাবনী ভাবনাকে উৎসাহিত করা এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সঙ্গে তাদের একটি শক্তিশালী সংযোগ স্থাপন করা। এর মাধ্যমে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মতো মানসম্মত সৃজনশীল কাজ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
খুব শীঘ্রই আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম এবং পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক 

























