Dhaka ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

সার আমদানিতে ৩৬৪ কোটি টাকার অনুমোদন, পিপিপিতে চালু হচ্ছে কোকিল টেক্সটাইল মিলস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৯ বার

দেশে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৭০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। চলতি অর্থবছরে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) এবং সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে এই সার আমদানি করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৩৬৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

যে পরিমাণ সার কেনা হচ্ছে:

কাফকো: চতুর্থ লটে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্রানুলার ইউরিয়া কিনতে ব্যয় হবে ১৫১ কোটি ৩০ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৫ টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ৪০৮ দশমিক ৩৭৫ মার্কিন ডলার।

সৌদি আরব: সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস থেকে অষ্টম লটে ৪০ হাজার টন (১০ শতাংশ কম-বেশি) বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া আমদানিতে খরচ ধরা হয়েছে ২১৩ কোটি ২৪ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা। প্রতি টনের মূল্য ধরা হয়েছে ৪৩১ দশমিক ১৯৬৭ ডলার।

এদিকে বৈঠকে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের জন্য ২০ হাজার টন ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির একটি প্রস্তাব উঠলেও, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

পিপিপিতে চালু হচ্ছে কোকিল টেক্সটাইল মিলস:
অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বন্ধ থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোকিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে পুনরায় চালুর নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে ব্যক্তিমালিকানায় প্রতিষ্ঠিত এই মিলটিতে ১৯৬৮ সালে উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে এটি জাতীয়করণ করা হয় এবং ১৯৯৭ সাল থেকে এর উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু