
জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি না থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। অনুষ্ঠানে বিরোধী নেতাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করলে দেশের অগ্রগতি ব্যাহত হয় এবং পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে।
তবে এই সমালোচনার জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার ভিন্ন এক বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সরকারি ওই অনুষ্ঠানের দাওয়াতপত্রে মন্ত্রিসভার পদমর্যাদার অধিকারী বিরোধীদলীয় নেতার কোনো নাম কিংবা নির্দিষ্ট মর্যাদার কথা উল্লেখ ছিল না। এই অবস্থায় তিনি কোন মর্যাদায় বা কোথায় আসন গ্রহণ করবেন—সে প্রশ্নই তোলেন দলটির এই শীর্ষ নেতা।
সরকারের অবস্থান: সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ অনেকেই সংসদ সদস্য বা বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নিজেদের পরিচিতি পাচ্ছেন। ফলে দলীয় বা রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে জাতীয় এই আবেগের জায়গায় সবার উপস্থিতি কাম্য ছিল। গঠনমূলক রাজনীতির স্বার্থে এই দূরত্ব কমিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিরোধী দলের যুক্তি: অন্যদিকে, বিরোধী দল মনে করছে প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল ও সম্মান প্রদর্শনে ঘাটতি থাকার কারণেই এই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সঠিক মূল্যায়ন ও সম্মানজনক আমন্ত্রণ ছাড়া এ ধরনের জাতীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা কঠিন বলে মনে করছেন তারা।
জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ স্মারক উদ্বোধনের পর তৈরি হওয়া এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।
অনলাইন ডেস্ক 

























