
রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচটি ছিল চরম রোমাঞ্চকর। ৩০৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জয়ের সুবাস পেয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে বসে শ্রীলংকা। শুধু মাঠের হারই নয়, স্লো ওভার রেটের কারণে আইসিসির আর্থিক জরিপের মুখেও পড়তে হয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা উভয় দলকে।
ম্যাচের আকস্মিক মোড় পরিবর্তন:
প্রথমে ব্যাট করে সালমান আলি আগার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে (১০৭ রান) নির্ধারিত ওভারে ৩০৫ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিক পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলংকা দারুণ এক জয়ের পথেই ছিল। দলের রান যখন ৪৩.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৩, তখন জয়ের জন্য শেষ ৩৯ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫৩ রান। ক্রিজে সেট হয়ে থাকা জানিথ লিয়ানাগে ও সাবেক অধিনায়ক দাসুন শানাকা ম্যাচ বের করে নেওয়ার পণ করলেও হঠাৎ ধস নামে লংকান ইনিংসে। দ্রুত তারা সাজঘরে ফিরে গেলে ছন্দ হারায় দল। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ২৬৮ রানে অলআউট হয়ে ৩৭ রানের আক্ষেপের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় শ্রীলংকাকে। ম্যাচসেরা হন সেঞ্চুরিয়ান সালমান আলি আগা।
আইসিসির শাস্তি:
মাঠের রোমাঞ্চের পর দুই দলকেই শাস্তি দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। নির্ধারিত সময়ে স্লো ওভার রেট বা কম ওভার বল করার কারণে ম্যাচ রেফারির খড়্পে পড়তে হয় দুই দলকে।
পাকিস্তানের শাস্তি: নির্ধারিত সময়ের হিসাবে ২ ওভার কম বল করায় পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
শ্রীলংকার শাস্তি: লংকানরা ওভার কম করেছে ১ ওভার, যার ফলে তাদের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হয়। অনফিল্ড আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব ও ওয়েন নাইটস, তৃতীয় আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ এবং চতুর্থ আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি এই ওভার ঘাটতির অভিযোগ আনেন।
ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর প্রস্তাবিত এই শাস্তি পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শ্রীলংকা অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস মেনে নেওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
অনলাইন ডেস্ক 

























