
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কারণে ইউরোপের জ্বালানি ব্যয় শত বিলিয়ন ইউরোর বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়ে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের অভিযোগের পর তেহরান ও বার্লিনের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর জবাবে ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এমন কোনো দুঃসাহস দেখানো হলে ইউরোপকে আরও ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক মূল্য দিতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্মরণ করিয়ে দেন যে, গত বছরের জুনে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলাকে সমর্থন করে জার্মান চ্যান্সেলর বলেছিলেন— ইসরায়েল আমাদের সবার জন্য ‘নোংরা কাজটি’ করছে।
আরাগচি আরও বলেন, ১০০ বিলিয়ন ইউরোর জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি হয়তো কেবল একটি সূচনা। ইরানের জনগণের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করা হলে দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী এমন জবাব দেবে, যা গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দেবে। তার ভাষায়, “পুরোনো সীমারেখার দিন শেষ।”
এদিকে, ইউরোপের জ্বালানি সংকট নিয়ে জার্মানি ও পশ্চিমা দেশগুলোর কান্নাকাটির সমালোচনা করেছেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়িও। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যখন আপনারা যুদ্ধাপরাধকে সমর্থন করছিলেন, তখন কি একবারও ভেবে দেখেননি যে এর পরিণতি আপনাদেরও ভোগ করতে হবে না?”
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার আঁচ যে কেবল আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ইউরোপের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তাকেও সরাসরি প্রভাবিত করছে— তেহরানের সর্বশেষ এই হুশিয়ারি সেই বার্তাটিই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
অনলাইন ডেস্ক 






















