
মডেল, অভিনেত্রী এবং রাজনৈতিক প্রশিক্ষক মেঘনা আলম সম্প্রতি সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় আসেন। এ সময় তাঁর সাজপোশাক অনেকটা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো মনে হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ শোরগোল পড়ে যায়। এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সাজের পেছনের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল?
পোস্টে মেঘনা আলম স্পষ্ট করে জানান, তিনি জেনেশুনে বা পরিকল্পনা করে বেগম খালেদা জিয়ার মতো সাজতে চেষ্টা করেননি। প্রধানমন্ত্রী ও মনোনয়ন বোর্ডের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই তিনি মার্জিত ও পরিপাটি পোশাক (সাদা শাড়ি ও সাদা ওড়না) পরেছিলেন, যা তিনি এর আগেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরেছেন। প্রার্থীর দীর্ঘ ভিড়ে গরমে স্বস্তি পেতে চুল খোঁপা করে গিয়েছিলেন তিনি, যা নিয়ে আগেরবারের অভিজ্ঞতাও যুক্ত ছিল।
কার লুক অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন?
ইন্টারভিউর জন্য ফরমাল লুক আনতে এক পরিচিত ছোট বোনকে তিনি সাজাতে বলেছিলেন। মেঘনা জানান, গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই লুক বোঝাতে তিনি পাকিস্তানের মরিয়ম নওয়াজ এবং ক্রিকেটার ইরফান পাঠানের স্ত্রীর ছবি দেখিয়েছিলেন। ভ্রু স্বাভাবিক রাখতে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের কথা এবং চুল এয়ার হোস্টেসদের মতো পরিপাটি করে বাঁধতে বলেছিলেন। তবে সবার চুল ও মেকআপের চূড়ান্ত রূপ দেখে যে তাঁকে অবিকল খালেদা জিয়ার মতো লাগবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি।
জনগণের প্রতিক্রিয়ায় আবেগপ্রবণ মেঘনা আলম
সাধারণ মানুষের এমন পজিটিভ প্রতিক্রিয়ায় নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত ও আবেগাপ্লুত বলে উল্লেখ করেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কাছে খালেদা জিয়া অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার একটি নাম। জীবনে একবার এক হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। এছাড়া নিজের ইরানি বংশোদ্ভূত দাদির সঙ্গেও খালেদা জিয়ার চেহারার মিল খুঁজে পান তিনি।
বংশ পরিচয় ও রাজনৈতিক অবস্থান
বিএনপির কোনো বড় নেতা বা এমপির সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকলেও নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পেছনের কথা জানিয়ে মেঘনা আলম বলেন, তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভিত্তি রক্তে নয়, আত্মায়। দেশের স্বার্থ ও ভবিষ্যৎ বিএনপির কাছে নিরাপদ মনে করেই তিনি এই দলকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক 






















