Dhaka ১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ওমর কাউসার ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, নীরব কর্তৃপক্ষ জরিমানা ছাড়াই গাড়ির কাগজ ও লাইসেন্স হালনাগাদের মেয়াদ বাড়ল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভোগান্তি এড়াতে অনতিবিলম্বে সুযোগ গ্রহণের পরামর্শ বিআরটিএ ও সচেতন মহলের! যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ফুলব্রাইটের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ ইউজিসির শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার আগ্রহ সখীপুরে কৃষিজমির মাটি খুঁড়ে মিলল ১৯৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তান পুলিশের অস্ত্রভাণ্ডার! জুলাই অভ্যুত্থান পেরোলেও বদলায়নি চিত্র: বিতর্কিত ও সুবিধাভোগী কর্মকর্তারাই এখন সচিব! বরগুনার গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ ৫. অবৈধ সম্পদ অর্জন: সাবেক সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন দম্পতির ব্যাংক হিসাব জব্দ দুদকের আবেদন: ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ আদালতের ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ বহাল: হাইকোর্টে খারিজ রিট

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও গৌরবময় আত্মত্যাগের স্মরণে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১১:২১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ বার

১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোতে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান ছিনিয়ে নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আকাশ জয় করার এক দুঃসাহসিক অভিযানে শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামে তাঁর এই অনন্য আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অমর অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

১৯৬৩ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করার পর ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন মতিউর রহমান। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার টানে তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত অবস্থাতেই মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং ভৈরবে বাঙালি যুবকদের জন্য একটি গোপন প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলেন।

১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট তিনি পাকিস্তানের মাসরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে উড্ডয়ন করেন। বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের আয়ত্তে নেওয়ার চেষ্টা করলে পাকিস্তানি প্রশিক্ষণার্থী পাইলট রশিদ মিনহাজের সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে সিন্ধু প্রদেশের থাট্টা এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হলে এই বীর সেনানি শাহাদাতবরণ করেন। সে সময় তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ২৯ বছর। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মিলি খানের স্বামী এবং দুই কন্যা—মাহিন ও তুহিনের পিতা ছিলেন।

প্রাথমিক অবস্থায় তাঁকে পাকিস্তানের করাচিতে দাফন করা হলেও, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৪ জুন তাঁর দেহাবশেষ সসম্মানে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এর পরদিন অর্থাৎ ২৫ জুন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় রাজধানী ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা, বীরত্ব ও দেশপ্রেমের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর এই ঐতিহাসিক অবদান ও আত্মত্যাগ চিরদিন বাঙালি জাতির হৃদয়ে অনুপ্রেরণা হয়ে জ্বলজ্বল করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

চট্টগ্রাম কাস্টমসের ওমর কাউসার ও সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ-হয়রানির অভিযোগ, নীরব কর্তৃপক্ষ