
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর পিছিয়েছে জাতিসংঘ। ফলে ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে এখন ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। জাতিসংঘের এই ব্যতিক্রমী সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিকে টেকসই করতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে জরুরি সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তাগিদ দেন। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ না হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
১. সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা
২. জ্বালানি খাত
৩. সামাজিক সুরক্ষা
৪. সরবরাহব্যবস্থা
সিপিডির মতে, এই চার খাতের কার্যকর সংস্কার বাস্তবায়িত হলে তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশের উৎপাদনশীলতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি রোধ করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসি থেকে এই উত্তরণ প্রক্রিয়া কেবল কোনো কারিগরি বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; এর সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা গভীরভাবে জড়িত।
তিনি আরও বলেন, আগামী তিন বছরের এই অতিরিক্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ যেন ব্যতিক্রমী সাফল্য অর্জন করতে পারে, সে জন্য দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অনলাইন ডেস্ক 

























