
পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জাতীয় পর্যায়ের সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ই-লার্নিং, আধুনিক শিক্ষা ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেইলি রোডস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
-
শিক্ষায় বৈষম্য হ্রাস: প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা থেকে পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। ঢাকা কিংবা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকা—যেখান থেকেই শিক্ষার্থী আসুক না কেন, যোগ্যতার ভিত্তিতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
-
ডিজিটাল শিক্ষার চিত্র প্রদর্শন: সভায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং কার্যক্রম এবং বিশেষ করে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজিতে তাদের অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়, যাতে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। ভবিষ্যতে এই শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
-
উন্নয়ন বাজেট ও এডিপি পর্যালোচনা: সভায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরের এডিপিভুক্ত ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন, আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
-
সুপেয় পানি ও বিদ্যুৎ: পাহাড়ি নারীদের কষ্ট কমাতে সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করা এবং দুর্গম এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
-
পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও পর্যটন: প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি না করে টেকসই অবকাঠামো তৈরি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন ভূমিধস) মোকাবিলা এবং কর্মসংস্থান তৈরিতে আধুনিক পর্যটনশিল্প গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
-
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী সাচিং প্রু এমপিসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনলাইন ডেস্ক 






















