Dhaka ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩ শ্যালিকাকে বিয়ে ও টিকটক বিতর্ক: গ্রামবাসীর সামনে ক্ষমা চাইলেন শ্যালিকা, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে ইনশাআল্লাহ – মাওলানা বোরহান উদ্দিন।

সকালের পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি, বেলা ১১টাতেই বিক্রি ২১টি ভবন!

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৮ বার
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মিরপুর গৃহসংস্থান বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী কাওছার মোর্শেদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তার এসব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের রাজউক শাখায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তাজউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাওছার মোর্শেদ (জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ২৬৯৫০৪৬৯৩০০৫৪, টিআইএন- ৬৪৯৫৭৫৪৪৩২৩৮) বর্তমানে ঢাকার জাফ্রাবাদ, মোহাম্মদপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। অফিসে তার নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফাইল আটকে রেখে তদবির, ঘুষ ও অন্যান্য অনিয়মের মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এবং পরিবার ও স্ত্রীর নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়। এমনকি আয়কর নথিতেও তিনি ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে প্রকৃত সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন; ২০২০ সালের ৩০ জুন জমা দেওয়া নথিতে তার নিট সম্পদ দেখানো হয়েছিল মাত্র ৭৪ লাখ ৮৯,২০৪ টাকা।

 

অভিযোগের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হিসেবে মিরপুর ১৪ নম্বর সেকশনের ২১টি চারতলা পুরাতন ভবন নিলামের ঘটনাটি সামনে এসেছে। ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় এই নিলামের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও, পত্রিকায় আসার সাথে সাথেই—অর্থাৎ একই দিন সকাল ১১টার মধ্যেই তড়িঘড়ি করে নিলামের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়। এতে করে সারা দেশ থেকে আসা সাধারণ ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের সব সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ২১টি ভবনের প্রকৃত বাজারমূল্য ছিল প্রায় ২১ কোটি টাকা। অথচ প্রভাব খাটিয়ে ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ভবনগুলো মাত্র আড়াই কোটি টাকায় নিলামে বিক্রি দেখানো হয়। ফলে সরকার একাই প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।
গৃহীত ঘুষের টাকায় কাওছার মোর্শেদ ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, বিলাসবহুল বাড়ি ও গাড়ি ক্রয় করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রেখেছেন কোটি কোটি টাকা। এমনকি তার স্ত্রী তিনাত ফারজীনের নামে ‘ঢাকা মেট্রো: জি GHA-193558’ নম্বরের একটি বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে।
অভিযোগকারী তার আবেদনে উল্লেখ করেন, কাওছার মোর্শেদের অবৈধ নিয়োগ, ঘুষ বাণিজ্য এবং অঢেল সম্পদের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করলে আরও চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
এসব অভিযোগ ও দাবিকৃত বিষয়ে কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী