Dhaka ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
ঠিকাদার-নির্ভর আসবাব কেনে গণপূর্ত,নিজস্ব কারখানা অচল সুনামগঞ্জে ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধ ও ইজারা চালুর দাবিতে মানববন্ধন চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা গুজবে কান নয়, তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করুন: আইসিটি মন্ত্রী রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে দা দিয়ে কোপের অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যু সাবেক তাঁতীলীগ নেতা এখন সাংবাদিক, ঘিরে উঠছে একের পর এক অভিযোগ টেকনাফে সন্ত্রাসী হামলায় আহত সাংবাদিক জামালকে হাসপাতালে দেখতে বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গোপালগঞ্জে ট্রাক ও নসিমনের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত-২ উত্তরা ১৪ নাম্বর সেক্টরে রাস্তার ওপর অবৈধ স্থাপনার অভিযোগ, দ্রুত উচ্ছেদের দাবিতে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ নবনিযুক্ত ইউএনও লিখন বণিককে নাগরপুর জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার অভিনন্দন

দুর্নীতির অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সালের বিরুদ্ধে

বিআইডব্লিউটি এর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল। পড়ালেখা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। ছাত্রজীবনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। এই সুবাদে চাকরীজীবনে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১০ সালে চাকরীতে যোগদান করেন। এরপর উদ্ধার ইউনিট প্রত্যয়, নিভীক, দূরন্ত ও দূর্বার জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যোগদানের পর বিদেশ ভ্রমণ এবং উদ্ধার ইউনিট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান কোম্পানির কাছ থেকে বিদেশে বসে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। উদ্ধার ইউনিটে যে সমস্ত মূল্যবান মালামাল/যন্ত্রপাতি কোরিয়ান কোম্পানিকে দেওয়ার কথা ছিল তা না দিয়ে উল্টো মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিম্নমানের মালামাল ও অনেক কম আইটেমের মালামাল গ্রহণ করেন। এমনকি খানপুর স্টোরে সঠিক ভাবে মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। স্টোরে ও মালামালের লিস্ট করতেও পারে নাই। এ যেন শুভকরের ফাঁকি। তিনি প্রকৌশলী হওয়ায়, এমএমই বিভাগ বরিশাল নৌ বহরে চাকরির করেন। নৌবহর বরিশালের আওতায় জলযানের রিপেয়ার নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে নৌ মেরামত কেন্দ্রের নারায়নগঞ্জের চেয়ারে বসেন তিনি। প্রতিটি জাহাজের রিপেয়ার নামে ওভার ইষ্টিমেট করে কোটি টাকার তছরুপ করা হয়। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মামুন আল ফয়সাল তার আমলে জাহাজের নামে লাখ লাখ টাকার আর্থিক আনুমোদন নিলেও কাজের কাজ কিছুই করেন নি। বিভিন্ন জাহাজের ষ্টাফ মাষ্টার ও ড্রাইভারের কাছ থেকে জানা যায়, জাহাজের ভাল-ভাল মালামাল বাদ দিয়ে ওই মালামালের ইষ্টিমেট করে নিদিষ্ট লোক দ্বারা চায়না মালামাল ফিটিং করেন। যা বেশিদিন টিকসই হয়না। আবার সমস্যা দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আবারও স্টিমিট করে এভাবে জাহাজের নামে দুর্নীতি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ঠিকাদার দ্বারা বড়বড় কাজ দিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে নগদ অর্থ বা চেকের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করেন বলে জানা গেছে। এবিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেছে সংশ্লিষ্ঠ কর্তা ব্যক্তিরা। তাদের দাবি সুষ্ঠু তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। এবিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটি এর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল বলেন, আমি প্রজেন্টের পিডির অধীনে ছিলাম। পিডির নির্দেশে সব কেনাকাটা হয়েছে। আমি আমার কাজ টুকু করেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

ঠিকাদার-নির্ভর আসবাব কেনে গণপূর্ত,নিজস্ব কারখানা অচল

দুর্নীতির অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সালের বিরুদ্ধে

আপডেট টাইম : ১২:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বিআইডব্লিউটি এর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল। পড়ালেখা করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)। ছাত্রজীবনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। এই সুবাদে চাকরীজীবনে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১০ সালে চাকরীতে যোগদান করেন। এরপর উদ্ধার ইউনিট প্রত্যয়, নিভীক, দূরন্ত ও দূর্বার জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যোগদানের পর বিদেশ ভ্রমণ এবং উদ্ধার ইউনিট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোরিয়ান কোম্পানির কাছ থেকে বিদেশে বসে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। উদ্ধার ইউনিটে যে সমস্ত মূল্যবান মালামাল/যন্ত্রপাতি কোরিয়ান কোম্পানিকে দেওয়ার কথা ছিল তা না দিয়ে উল্টো মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিম্নমানের মালামাল ও অনেক কম আইটেমের মালামাল গ্রহণ করেন। এমনকি খানপুর স্টোরে সঠিক ভাবে মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। স্টোরে ও মালামালের লিস্ট করতেও পারে নাই। এ যেন শুভকরের ফাঁকি। তিনি প্রকৌশলী হওয়ায়, এমএমই বিভাগ বরিশাল নৌ বহরে চাকরির করেন। নৌবহর বরিশালের আওতায় জলযানের রিপেয়ার নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে নৌ মেরামত কেন্দ্রের নারায়নগঞ্জের চেয়ারে বসেন তিনি। প্রতিটি জাহাজের রিপেয়ার নামে ওভার ইষ্টিমেট করে কোটি টাকার তছরুপ করা হয়। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মামুন আল ফয়সাল তার আমলে জাহাজের নামে লাখ লাখ টাকার আর্থিক আনুমোদন নিলেও কাজের কাজ কিছুই করেন নি। বিভিন্ন জাহাজের ষ্টাফ মাষ্টার ও ড্রাইভারের কাছ থেকে জানা যায়, জাহাজের ভাল-ভাল মালামাল বাদ দিয়ে ওই মালামালের ইষ্টিমেট করে নিদিষ্ট লোক দ্বারা চায়না মালামাল ফিটিং করেন। যা বেশিদিন টিকসই হয়না। আবার সমস্যা দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আবারও স্টিমিট করে এভাবে জাহাজের নামে দুর্নীতি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ঠিকাদার দ্বারা বড়বড় কাজ দিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে নগদ অর্থ বা চেকের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করেন বলে জানা গেছে। এবিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেছে সংশ্লিষ্ঠ কর্তা ব্যক্তিরা। তাদের দাবি সুষ্ঠু তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। এবিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটি এর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সাল বলেন, আমি প্রজেন্টের পিডির অধীনে ছিলাম। পিডির নির্দেশে সব কেনাকাটা হয়েছে। আমি আমার কাজ টুকু করেছি।