Dhaka ০৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা: জামিনে মুক্ত জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি: অরাজকতার পেছনে রাজনৈতিক উসকানির অভিযোগ ডিএনসিসি প্রশাসকের জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত এগোবে ও আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজাহীন রক্ষণ আর মিডফিল্ডের শঙ্কা নিয়েই ভুটান বধের মিশনে নামছে বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলায় শিল্প কারখানা শ্রমিক বিশৃঙ্খলার উস্কানি দাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাংসহ অন্যান্য অপরাধী বিরুদ্ধে একযোগে সাঁড়াশি অভিযানে ৩৮৫ জন আটক বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন সমাবেশ ইরান সংঘাত ও বিশ্বযুদ্ধের গুঞ্জন: সাধারণ নাগরিকদের কি সত্যিই যুদ্ধে যেতে হতে পারে? নিষিদ্ধ পণ্য খালাস ও ক্ষমতার অপব্যবহার: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সিআইসির অনুসন্ধানে চাঞ্চল্য এক মাস পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেফতার

মির্জাপুরে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন এর নির্দেশে নিম্নমানের মালামাল সাইট থেকে অপসারণ

মির্জাপুর, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের পর কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। উপজেলা প্রকৌশলীর নির্দেশে সাইটে মজুদ রাখা নিম্নমানের খোয়া অপসারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করে পুনরায় কাজ সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের গেড়ামারা বাজার–দীঘুলিয়া সড়কের সাব-বেজ নির্মাণকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৃষ্ণা স্টুডিও এর প্রতিনিধি বেলাল রাতের অন্ধকারে নিম্নমানের খোয়া সাইটে এনে মজুদ করেন। পরে ওই খোয়া বালুর সঙ্গে মিশিয়ে কাজে ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
‎
‎বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পরদিন উপজেলা প্রকৌশলীসহ এলজিইডির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে নিম্নমানের খোয়া মজুদের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই খোয়া ও সংশ্লিষ্ট মালামাল সাইট থেকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
‎
‎এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। নিম্নমানের মালামাল অপসারণ করে এলজিইডির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নির্ধারিত মানের খোয়া দিয়ে সাব-বেজের মিক্সসহ বাকি কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‎
‎উপজেলা প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত দাপ্তরিক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মানসম্মত খোয়া সাইটে মজুদ ও অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত পরবর্তী নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে বিল পরিশোধসহ পরবর্তী সব প্রশাসনিক জটিলতার দায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই বহন করতে হবে।
‎
‎স্থানীয়দের মতে, সময়মতো প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। তারা উন্নয়নকাজে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা: জামিনে মুক্ত জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান