Dhaka ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু ভাঙ্গায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার আহ্বান দেশে আর কোনো গুম-বিচারবহির্ভূত হত্যা দেখতে চায় না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেমিট্যান্স আহরণ ও সেবা আরও সহজ করতে ওয়ান ব্যাংকের সাথে নগদের কৌশলগত চুক্তি রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি বিএডিসির বীজ সিন্ডিকেট: বহাল তবিয়তে ‘বঙ্গ অ্যাগ্রিটেক’ মিরপুরে ডিএনসিসির বড় অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো দুই হাজার অবৈধ দোকান বন বিভাগে ‘পে-ফিক্সেশন’ বাণিজ্য: ফাইলপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ, জিম্মি সাধারণ কর্মচারীরা পঞ্চগড় বোদা ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য: তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভিডিও ভাইরালের পর ক্ষোভ কুড়িগ্রাম সদর খাদ্যগুদামে ২ কোটি টাকার চাল ও ধান আত্মসাৎ: দুদকের মামলা চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে অভিযান: ১ লাখ মিটার জাল ও ২৫০ কেজি ইলিশসহ আটক ৩

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুর পাড়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ!

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সরকারি খাস-পুকুরপাড়ের ১১টি মূল্যবান গাছ অনুমতি ছাড়াই বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

 

কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল বড় মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত সোহেল মোল্যা একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারাইল বড় মাঠের পাশে অবস্থিত সরকারি খাস পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল।

সরকারি অনুমতি ছাড়াই এসব গাছ একই গ্রামের রিপন শেখের কাছে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন সোহেল মোল্যা।

বুধবার সকালে রিপন শেখ শ্রমিক নিয়ে গাছগুলো কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।

 

এ সময় স্থানীয়রা গাছ কাটায় বাধা দেন এবং উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানান। পরে স্থানীয় তহশীলদার ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করেন।

 

অভিযুক্ত সোহেল মোল্যার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি গাছ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি পুকুরটি লিজ নিয়েছি। সরকারিভাবে নতুন করে গাছ লাগানো হবে বলে পুকুরপাড়ের আগাছা পরিষ্কার করতে বলা হয়েছে।

কিন্তু রিপন বড় গাছ কেটে ফেলেছে।’

 

গাছের ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, ‘আমি সোহেল মোল্যার কাছ থেকে ১১টি গাছ ২৫ হাজার টাকায় কিনেছি। শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে এসেছি। ৭টি কাটার পর তহশীলদার এসে বাধা দিয়েছেন।’

 

ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া কারও গাছ কাটার এখতিয়ার নেই। আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭টি কাটা গাছ উদ্ধার করেছি। বাকি চারটি গাছ এখনও কাটা হয়নি।

এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।’

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমাকে জানিয়েছেন।

কাটা গাছগুলো ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে জব্দ করতে বলা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

জাপানি ‘ও-সোজি’ মডেলে ঢাকার ২১ বিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ পাইলট প্রকল্প শুরু